চট্টগ্রামে ধানের শীষ-দাঁড়িপাল্লার লড়াই, তবে উত্তাপ কম
চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনে বিএনপি–জামায়াতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও ভোটের সামগ্রিক উত্তেজনা তুলনামূলক কম।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনে বিএনপি–জামায়াতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও ভোটের সামগ্রিক উত্তেজনা তুলনামূলক কম।
ভোটের নতুন সমীকরণ ঝালকাঠিতে। শহরে জমজমাট প্রচার, গ্রামীণ জীবনে সংকটই আলোচনার কেন্দ্রে।
প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রার্থীর ব্যক্তি পরিচয়, পারিবারিক ইতিহাস, স্থানীয় প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। ভোটার ৪ লাখের বেশি। নির্বাচনী এলাকার সব জায়গায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর ব্যানার–ফেস্টুন ও বিলবোর্ড রয়েছে।
দুই যুগ ধরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে যাঁরা ভোট দিয়ে আসছিলেন, তাঁদের একটি অংশ এখন নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি।
বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘বহিষ্কার করে আমাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বিশ্বাস, সবার সহযোগিতায় এবারের নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণ হবে। নির্বাচনে প্রশাসন ও সরকারি বাহিনী সবাই নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মব সন্ত্রাস যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সেটি অন্য সবকিছুর মতো নির্বাচনেও প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে রিট করেছেন একই আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।
প্রার্থীরা উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু ভোটারদের মনে উন্নয়নের চেয়ে বেশি চিন্তা এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে।
অনেক আসনে বিদ্রোহীদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা যেমন আছে, তেমনি অনেক আসনে বিএনপির ভোট কাটাকাটির কারণে অন্য দল সুবিধা পেতে পারে।
এখানে প্রার্থী ১২ জন। সব প্রার্থীই ‘জয়ের ব্যাপারে’ আশাবাদী। তাঁরা ‘ভালো সাড়া’ পাচ্ছেন।