
ট্রাম্পের ইরান আক্রমণে কেন বাধা দিচ্ছে সৌদি আরব
কয়েক বছর আগে অনেক আরব দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হয়তো ইরানে হামলা চালিয়ে সেখানকার শাসন পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইতিবাচকভাবে দেখত।

কয়েক বছর আগে অনেক আরব দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হয়তো ইরানে হামলা চালিয়ে সেখানকার শাসন পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইতিবাচকভাবে দেখত।

ইরানের ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো, এর অভ্যন্তরীণ কঠোর সংহতি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি বা শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার উদ্দেশে অভিযান চালালেও এ শাসনব্যবস্থার পতন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

ইরানের ৫ কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ওপর চাপ বজায় রাখার মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

ইরানে হামলা চালানো থেকে ট্রাম্পকে বিরত রাখার প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ইরানজুড়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভের প্রায় দুই সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর পছন্দের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে একটি বার্তা দেন। তিনি লেখেন, ‘ইরান এমন এক স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে, যা (ইরান) আগে কখনো দেখেনি।

গত জুনে ইরান, ডিসেম্বরে নাইজেরিয়া এবং জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের হামলা গ্রিনল্যান্ড দখলের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

ইরান সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থা বিপাকে পড়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ধর্মীয় সরকারের পতন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেবে না তেহরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তেহরানের পক্ষ থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের (বিক্ষোভকারীদের) কোনো পরিকল্পনা নেই।