যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রির প্রতি আগ্রহ কমছে কেন
যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রির মূল্য নিয়ে জন–আস্থা কমেছে। ২০০৫ সালে ১৪ শতাংশ মানুষ ডিগ্রিকে সময় ও অর্থের অপচয় মনে করলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৩৪ শতাংশ হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রির মূল্য নিয়ে জন–আস্থা কমেছে। ২০০৫ সালে ১৪ শতাংশ মানুষ ডিগ্রিকে সময় ও অর্থের অপচয় মনে করলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৩৪ শতাংশ হয়েছে।
মাঝে মধ্যে ট্রাফিক পুলিশ দড়ি টানিয়ে রাখে, যাতে এরা রাস্তা পার হতে না পারে। কিন্তু সে দৃশ্য দেখলে মনে হয় দড়ির ওপাশে মানুষ না, ঈদের আগে ছাড় পাওয়া গরুর পাল দাঁড়িয়ে আছে।
বাজেট নিয়ে অনেক কথা বলেছি অতীতে। সামান্য কিছু কাজ হয়েছে। প্রান্তিক অনগ্রসর মানুষ আর জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরিখে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছিল উপেক্ষা আর নিদারুণ অবহেলা।
বাংলাদেশের মানুষ যে সরকারকে নির্বাচিত করেছে, তাদেরকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর আস্থা নেই বলেও জানিয়েছেন দেশগুলোর অধিকাংশ মানুষ।
অনেক গবেষক মনে করেন, ভবিষ্যতে এআই মানুষ ও প্রাণীর মধ্যে সীমিত পরিসরে হলেও দ্বিমুখী যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ প্রতিবছর সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করেন।
জনশ্রুতি আছে, নবী আইয়ুব (আ.) দীর্ঘদিন কঠিন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর শরীরের গোশত ক্ষয়ে যায়, শরীরে পোকা জন্ম নেয় এবং দুর্গন্ধে মানুষ দূরে সরে যায়।
তারাগঞ্জের যুবক আশিকুর রহমানের গড়া ‘গ্রামীণ সাহায্য সংস্থা’র মাধ্যমে চিকিৎসা, জীবিকা ও শিক্ষাসহায়তা পাচ্ছেন অনেক মানুষ।
টানা ছুটিতে রাজধানীসহ শহর ছেড়ে গ্রামমুখী হয় মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে পদ্মা, যমুনার মতো দেশের বড় বড় সেতুতে গাড়ির চলাচলের পরিমাণ বেড়ে যায়। যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেশি হয়।
ইন্ডাস্ট্রির বাইরের একজন মানুষ হওয়ায় শুরুতে সব সময় একটা অনিশ্চয়তা কাজ করত। এরপর কাজ পাবেন কি না, তা নিয়েও ভয় ছিল। অনেকেই তাঁকে নানা পরামর্শ দিতেন।
তাহলে প্রযুক্তির দাপটে হার্ডব্যাক হারিয়ে যাবে! সত্যি কি তা–ই? সম্ভবত না। যেভাবে সিনেমা আসার পর নাটক বন্ধ হয়নি, টেলিভিশন আসার পর রেডিও হারিয়ে যায়নি, ঠিক তেমনি ই-বুক আসার পরও হার্ডব্যাক বই থাকবে। হয়তো আগের মতো সবার হাতে থাকবে না। হয়তো প্রতিদিনের পড়ার জন্য মানুষ মোবাইল, ট্যাবলেট বা পেপারব্যাক বেছে নেবে। কিন্তু প্রিয় বইয়ের বিশেষ সংস্করণ, উপহার, সংগ্রহ কিংবা পারিবারিক লাইব্রেরির জন্য হার্ডব্যাকের আবেদন সহজে ফুরিয়ে যাবে না।