
বিপুল ভোটের ব্যবধানে জিতলেন বিএনপির প্রার্থী ফজলুর রহমান
ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট।

ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট।

স্বাধীনতার পর এই প্রথম জামালপুরের পাঁচটি আসনেই বিএনপি বিজয় লাভ করেছে।

বগুড়া-৭ আসনে (গাবতলী ও শাজাহানপুর) জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরার দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দিয়েছেন অধিকাংশ ভোটার।

নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বিএনপির প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খুলনা মহানগর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ। ধানের শীষের প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট।

হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু ও আহমেদ আযম খান, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু) জয়ের পথে আছেন তিনি।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

বগুড়ার সাতটি আসনের মধ্যে সবকটিতে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আংশিক ফলাফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে চারটিতে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা, অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

গাজীপুর–৩ আসনে জামায়াতের এক নেতার বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার ও সুনামহানির অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী এস এম রফিকুল ইসলাম (বাচ্চু)।