
প্রযুক্তির দৌড়ে কে কাকে থামাবে!
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় দ্রুত এগিয়ে চলেছে, যা বিশ্ব রাজনীতির গতিবিধি বদলে দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় দ্রুত এগিয়ে চলেছে, যা বিশ্ব রাজনীতির গতিবিধি বদলে দিতে পারে।

আজকের লড়াইটা কেবল সম্পদের নয়, প্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণের। আর এই লড়াইকেই বলা যায় ‘রুট–যুদ্ধ’। এই যুদ্ধের কোনো দৃশ্যমান যুদ্ধক্ষেত্র নেই। কিন্তু প্রতিটি চুক্তি, প্রতিটি পাইপলাইন প্রকল্প, প্রতিটি রুট পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে থাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এখানে রাষ্ট্রগুলো এমনভাবে জ্বালানি করিডর তৈরি করতে চায়, যাতে তাদের প্রভাব বাড়ে, প্রতিপক্ষের বিকল্প কমে এবং ভবিষ্যতের বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্যান বা কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে অল্প আঁচে একটু সময় নিয়ে সোনালি করে ভেজে তুলে নিতে হবে। মিষ্টি তেলে ভাজা হতে হতে চিনির শিরা তৈরি করে নিন।

এর থেকে ইঙ্গিত মিলছে, ট্রাম্প প্রশাসন এই কৌশলগত জলপথে ইরানের অবরোধ ভাঙতে উদ্যোগ নেবে।

রোববার সকাল ছয়টার দিকে সিলেটের তেলিবাজার এলাকায় ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হন।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খোদা বকশ চৌধুরী বলেন, এবার মানুষ অনেক ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। সাধারণত এমন সংকটে তা দেখা যায় না।

মূলত সরবরাহ বৃদ্ধি ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে ফিলিং স্টেশনগুলোয় জ্বালানি তেলের ভিড় কমেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি যারা লাভবান হচ্ছে, তাদের মধ্যে আছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস উৎপাদকেরা; তারা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ‘অস্বাভাবিক মুনাফা’ করেছে।

আগামী মাসেই তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

বাস্তবে ওপেকের কার্যক্রম অনেকটাই নির্ভর করে উৎপাদন কোটার ওপর। সদস্যদেশগুলো নিয়মিত বৈঠকে বসে ঠিক করে, কে কত তেল উৎপাদন করবে।

বিশ্বব্যাংক আরও বলছে, উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশের গড় মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে।

জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক থেকে আগামী মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সৌদি আরবের জন্য একটি সতর্কবার্তা।