
আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না: জামায়াতের আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।’

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘তাদের মুখে একটা, কাজে আরেকটা।’

শুক্রবার রাতে কুমিল্লা নগরের ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে মহানগর জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়ামে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলটির আমির শফিকুর রহমান।

এ সময় গোলাম মাহমুদ মাহাবুবকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের উত্তরীয় পরিয়ে ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।

শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির জানিয়েছেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন পেতে দেরি হওয়ায় মামলা করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। আজ রাতেই ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, ...তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি; বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস ও জনগণের অধিকার হরণ করেছে।’

নোয়াখালীতে নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে এ জনসভা হয়। এতে জেলার ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আজ শুক্রবার দুপুরে ফেনীতে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জেলার সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ভোট দিতে চান অধিকাংশ ভোটার। ১০ আসন শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত, একটি উন্মুক্ত। অর্থাৎ ৮ আসনে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী রয়েছে।

আল–জাজিরার সাংবাদিক জামায়াত আমিরের কাছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা, ইসলামিক আইন চালুর বিষয়ে দলের অবস্থান, নারী, বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ পরিচয় ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে জানতে চান।

জামায়াতে ইসলামীর হয়ে ভোট করছেন ১৬ জন। অন্য দুটি দলের প্রার্থী দুজন। মোট ১৮ জনের সবাই শিবিরের সভাপতি বা সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন।