হরমুজ কেন বিশ্বব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে?
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।
যুদ্ধের বিস্তার এবং আমেরিকান ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরাকের আকাশসীমায় একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী তীব্র বিক্ষোভ চলছে।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্তম্ভিত করে দিলেও দেশটিতে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের খুব একটা লক্ষণ নেই।
গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে শেভরনের প্রধান নির্বাহী মাইক ওয়ার্থসহ জ্বালানি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আজ শনিবার সকালে যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য নতুন এক সংঘাতের মধ্যে নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান-ওমান চুক্তির সম্ভাবনা ঘিরে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে ট্রাম্পের হুমকি, দুই পক্ষের অবস্থানগত পার্থক্য ও ‘টেকসই’ নিয়ন্ত্রণ ভাবনা—সব মিলিয়ে চুক্তির স্থায়িত্ব ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে বলে মনে করে গণসংহতি আন্দোলন।
ইসরায়েলের প্রধান শত্রু হিসেবে ইরানের জায়গা নেবে পাকিস্তান অথবা তুরস্ক।
১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যখন তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তখন বিশ্ব প্রথম বড় জ্বালানি–সংকটের মুখোমুখি হয়।