একদিন অনেক বড় মার্চেন্ডাইজার হতে চাই: মোহিনী
মোহিনী আফরোজের বাড়ি রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার বিশ্বনাথ গ্রামে। ৩ বোন ১ ভাইরে মধ্যে মোহিনী সবার বড়। তাঁর বাবা কৃষক, মা গৃহিণী। অভাব অনটনের সংসারে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রীরা যে সব বিষয়ে
মোহিনী আফরোজের বাড়ি রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার বিশ্বনাথ গ্রামে। ৩ বোন ১ ভাইরে মধ্যে মোহিনী সবার বড়। তাঁর বাবা কৃষক, মা গৃহিণী। অভাব অনটনের সংসারে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রীরা যে সব বিষয়ে
স্যার ডেভিড বেকহাম ও লেডি বেকহামের জ্যেষ্ঠ সন্তান ব্রুকলিন বলেন, তাঁর মা–বাবা নিকোলা পেল্টজ বেকহামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ‘ধ্বংস করার’ চেষ্টা করছেন।
‘ডিনায়াল বা অস্বীকার করা একটি বড় সমস্যা। বাবা-মাকে খেয়াল করতে হবে সন্তানের স্খলনটা কোথায় হচ্ছে। যদি দেখেন আপনার সন্তান তার স্বাভাবিক জীবনের সাথে
সাধারণত এসব গল্পের কথক হয়ে থাকেন নারী, অর্থাৎ মা-খালা-ফুফু ও দাদি-নানি। মজার ব্যাপার হলো, আমার ক্ষেত্রে গল্প শোনানো মানুষটি ছিলেন আমার বাবা।
দেখা যায়, মা-বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় সন্তানদের মাঝে জমি বা সম্পদ বণ্টন করে দিতে চান। এক্ষেত্রে সাধারণ প্রবণতা হলো মিরাসের নিয়মে ছেলেকে মেয়ের দ্বিগুণ দেওয়া।
মুসলিম পরিবারের জন্য সন্তানের বিচ্যুতি বড় কষ্টের। তবে একজন বাবা যখন নিজের অহংকার বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধৈর্য ধরেন, তখন তিনি আরও বেশি সম্মানিত হন।
বাবা সোফায় বসে রইলেন। মেয়েকে স্কুলে নামিয়ে দেবেন অফিসে যাওয়ার সময়। বাবার সঙ্গে মেয়ে কথা বলতে বলতে স্কুলে যাচ্ছে, এ এক মুগ্ধতা জাগানিয়া দৃশ্য!
মনসুর আহাম্মদের বড় ছেলে মো. তায়েফ জানান, তাঁর বাবা প্রবাসী ছিলেন। নিজের জমানো টাকা তুলতে এসে ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন।
সত্তরের দশকে ইরানে আন্দোলন শুরু হলে এই অভিনেত্রীর বাবা যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। পরে যুক্তরাষ্ট্রেই তাঁর জন্ম হয়।
শেখ হাসিনা দেশের বিচারব্যবস্থাকে যেভাবে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন, সরকার পরিবর্তনের পরও তার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি বলে অভিযোগ করেছেন নিহত ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি।
আতর তৈরি আর সুগন্ধির প্রতি ভালোবাসা থেকে বাবা মেয়ের নাম রাখে ‘খুশবু’। কিন্তু গ্রামের একটি দুষ্ট চক্রের চক্রান্তে বদলে যায় তার জীবন।
চট্টগ্রাম নগরে খতনা করাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে সাত বছরের শিশু মোহাম্মদ মোস্তফা। গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে সার্জারির জন্য তাকে ভর্তি করা হয়। সঙ্গে ছিলেন মা–বাবা। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে হাসিমুখে ছবিও তুলেছিল শিশুটি। সেই ছবিই এখন পরিবারের কাছে আজীবনের শেষ স্মৃতি। আজ মঙ্গলবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।