
সংঘাত নয়, সহাবস্থান জরুরি
একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের পর নির্বাচন-পরবর্তী সংঘাত ও মারামারির ঘটনা অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক।

একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের পর নির্বাচন-পরবর্তী সংঘাত ও মারামারির ঘটনা অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে কারচুপি ও জাল ভোটের অভিযোগ এনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হারুনুর রশিদ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতিতে বিএনপি। জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখ ও শরিকদের নিয়েও জোর আলোচনা।

নির্বাচনে দেশের ৩০টি আসনে ভোট গণনায় জালিয়াতির অভিযোগ জামায়াতের।

সবচেয়ে বেশি ভোটে জয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ।

প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বালিয়া মোড় এলাকায় হামলার এ ঘটনা ঘটে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছে।

নির্বাচনের পর কয়েকটি স্থানে সহিংসতার খবর এসেছে সংবাদমাধ্যমে, তবে ফেসবুকে এমন আরও খবরে বিভ্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। কিন্তু এসব ঘটনা যাচাই করে সব কটির সত্যতা পাওয়া যায়নি।

নাটোরের তিনটি উপজেলায় নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় ইউপির একজন সাবেক চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ প্রার্থীর কর্মীরা হামলা চালিয়েছেন।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে স্বতন্ত্র নির্বাচন করে জয় পাওয়া মো. আবদুল হান্নান ঘোষণা দিয়েছেন, ‘আমার প্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ না করা পর্যন্ত আমি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেব না।’