খুলনায় জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে সম্পদে এগিয়ে কৃষ্ণ নন্দী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতেই জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা প্রার্থী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতেই জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা প্রার্থী হয়েছেন।
প্রায় ২২৩ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনাটি বর্তমানে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। ১৯৮৭ সালের ১৯ মার্চ এটি সরকারের প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির মনোজ্ঞ আলোচনায় সমুজ্জ্বল হলো স্বদেশের মুখ। বাংলাদেশের প্রত্নসম্পদ ও প্রাচীন শিলালিপি নিয়ে প্রথমা প্রকাশন দুটি আকরগ্রন্থ প্রকাশ করেছে সম্প্রতি।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদবিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে রিগাস তাঁকে শপথবাক্য পড়ান।
এইবারের নির্বাচনের মনোনয়নের সঙ্গে দেওয়া হলফনামা দেখে যা বুঝেছি, পুরোনো রাজনীতিবিদদের হলফনামা খুব বোরিং। বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কিংবা এলডিপির কর্নেল অলি আহমদ অনেকবার নির্বাচন করেছেন। তাঁদের সেই একই হলফনামা। তবে এখন যাঁরা নতুন বা তরুণ নেতা, তাঁদের হলফনামায় চমক আছে।
হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নোয়াখালীর ছয়টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা কোটিপতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ ও সম্পদের মালিক নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
গ্রিনল্যান্ডে এখনো পুরোপুরি কাজে না লাগানো তেল ও গ্যাসের বিশাল ভান্ডার রয়েছে। বরফ গলে গেলে বিরল খনিজ সম্পদের উত্তোলন আরও সহজ হবে। এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও অস্ত্রশিল্পের জন্য অপরিহার্য। যদি ট্রাম্পের আগ্রহ বিরল খনিজে হয়, তাহলে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড—উভয় পক্ষই অংশীদারিমূলক চুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ট্রাম্প যে ভাগাভাগির পথে হাঁটছেন—তার কোনো লক্ষণ নেই।
স্থাবর সম্পদে এগিয়ে আছেন কুমিল্লা-৯ আসনের মো. আবুল কালাম। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা। এরপরই আছেন কুমিল্লা-৭ আসনের রেদোয়ান আহমেদ।
এআই প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব ধরে রাখতে মাইক্রোসফট আক্রমণাত্মক নিয়োগকৌশল নিচ্ছে, যেখানে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠিত জায়ান্টরাও জনবল ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। ২০২৫ সাল তাই গুগলের জন্য শুধু প্রযুক্তিগত নয়, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাতেও এক বড় চ্যালেঞ্জের বছর হয়ে উঠেছে।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য (অর্জনকালীন) ২৬ লাখ ৫ হাজার ৩৬৩ টাকা।