সিলেটের ছয়টি আসনের পাঁচ বিএনপির, একটি খেলাফত মজলিসের
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঢাকার ২০ আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপি ১৩, জামায়াত ৬ ও এনসিপি ১টি আসনে জয়ী।
নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া একটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী
ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
স্বাধীনতার পর এই প্রথম জামালপুরের পাঁচটি আসনেই বিএনপি বিজয় লাভ করেছে।
বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান কামরুল, নাছির চৌধুরী, কয়ছর আহমদ, নূরুল ইসলাম ও কলিম উদ্দিন আহমেদ।
নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে চারটিতে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা, অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।
গাজীপুর–৩ আসনে জামায়াতের এক নেতার বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার ও সুনামহানির অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী এস এম রফিকুল ইসলাম (বাচ্চু)।
সাতক্ষীরায় এবার ভোটের সংবাদ সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছিলেন ১ হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে যাচাই–বাছাই করে ৭৯২ জনকে দেওয়া হয়েছে পরিচয়পত্র।
পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) অভিযোগ করেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তাঁর সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।
জোটের প্রার্থী থাকার পরও চট্টগ্রাম–৮ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা।