মন্ত্রীদের কথায় লাগাম টানতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ সোহেল রানার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘কিছু মন্ত্রীর বক্তব্যে এখনই “লাগাম টানতে” হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘কিছু মন্ত্রীর বক্তব্যে এখনই “লাগাম টানতে” হবে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয় লাভের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে বিভাজন কাটিয়ে জাতীয় ঐক্য ও পুনর্গঠনের বার্তা দিয়েছেন।
রোববার সকালে খুলনা জেলার ফুলতলার আইডিয়াল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনোত্তর কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সামগ্রিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানের বক্তব্যে একটি কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় স্পষ্ট হয়েছে।
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ঋণখেলাপি হওয়ায় প্রার্থিতা হারানো মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আজ বুধবার বেলা আড়াইটার মধ্যে লিখিত বক্তব্যসহ সশরীর হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।
বক্তব্যে নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেন আলী আসগার। জানান, তিনি শান্তিবাদী সব মানুষের জিম্মাদার হবেন।
জামায়াতের ৯০ পৃষ্ঠার নির্বাচনী ইশতেহার পড়লে প্রথম যে বিষয়টি চোখে পড়ে, তা হলো অস্পষ্ট সাধারণ কথার আধিক্য। এসব গড় বক্তব্যের ভেতর যে কয়েকটি পরিষ্কার অবস্থান পাওয়া যায়, সেগুলোর অনেকটাই উদ্বেগজনক এবং স্পষ্টতই গণবিরোধী।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঢাকা–১৩ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহর এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
স্পিকার চারঝাস্তির বক্তব্যে বৃহস্পতিবার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত রোজ।
নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম আনুর নির্বাচনী পথসভায় যুবদলের এক নেতার দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘প্রতারক’ বলেছেন প্রবীণ রাজনীতিক ড. কামাল হোসেন, এমন একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়ালেও তা আসলে মিথ্যা।