বজ্রপাতে তিন জেলায় চারজনের মৃত্যু
জামালপুরে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একজন করে মৃত্যু হয়েছে ময়মনসিংহ ও রংপুরে।
জামালপুরে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একজন করে মৃত্যু হয়েছে ময়মনসিংহ ও রংপুরে।
নেত্রকোনা সদর উপজেলার কাইলাটি সড়কে ওই মিছিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে পুলিশ বলছে, তারা এমন কোনো ঘটনার তথ্য পায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে জামালপুর শহরে ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করেন ৬৫ বছরের হেলাল উদ্দিন। আবহাওয়া নয়, জীবনে টিকে থাকার লড়াইয়ে তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ অভাব।
নেত্রকোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আজ বুধবার ৯টা পর্যন্ত মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে জেলায়।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ধানখেত দেখতে যাওয়ার পথে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের রায়মণি বামনাখালী মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে উব্দাখালী, ভুগাই, মহাদেওসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে কয়েকটি হাওর ও বিলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
বাধ্যতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টার বিধান চালু হওয়া ১২ জেলায় সাত ধরনের মামলা কমেছে ৪৯ শতাংশ।
এক সপ্তাহ ধরে থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিতে নেত্রকোনার ধনু, কংস, সোমেশ্বরী, ভুগাই, উব্দাখালি, মগরাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ১০টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।
ময়মনসিংহ শহরের ছোট কালীবাড়ির পেছন দিয়ে একটা রাস্তা চলে গেছে ব্রহ্মপুত্রতীরের কাছারিঘাট ও জয়নুল উদ্যানের দিকে।
সবচেয়ে বেশি তিনজনের মৃত্যু হয়েছে নেত্রকোনার খালিয়াজুড়িতে। এ ছাড়া দুজনের মৃত্যু হয়েছে সুনামগঞ্জে; একজন করে মৃত্যু হয়েছে হবিগঞ্জ ও নোয়াখালীতে।
কংস নদের পানির গভীরতা গতকাল রাতে কতটুকু বৃদ্ধি পেয়েছে, তা পরিমাপ করতে যান আবদুল হালিম। কিন্তু নদের তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।