
যুক্তরাষ্ট্রের সেনা আটকের দাবি ইরানের, নাকচ করল ট্রাম্প প্রশাসন
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা আটকের খবর নাকচ করল ট্রাম্প প্রশাসন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা আটকের খবর নাকচ করল ট্রাম্প প্রশাসন।

নির্বাচনী প্রচারের সময় সব যুদ্ধ বন্ধ করার কথাই বলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প; কিন্তু তিনি ইরানে হামলা করেছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়েছে।

ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডসের কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বা অন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের হত্যার ষড়যন্ত্রের দায়ে এক পাকিস্তানি নাগরিক দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

যুদ্ধে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো শত্রুপক্ষের নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া। কখনো কখনো এই কৌশল কার্যকর হতে পারে।

ইরানে হামলা প্রশ্নে ট্রাম্প এবং তাঁর কর্মকর্তারা একেবারে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

‘আমরা ভেনেজুয়েলায় যা করেছি, আমি মনে করি, সেটাই যথাযথ।’

সিএনএনের উপস্থাপক ডানা ব্যাশকে টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি করবেন না তিনি।

ওই নারীর অভিযোগ, ট্রাম্প তাঁকে কিশোর বয়সে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেছিলেন।

কুর্দিরা পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ জাতিগোষ্ঠী, যাদের এখনো নিজস্ব কোনো রাষ্ট্র নেই। বিশ্বজুড়ে তাদের সংখ্যা প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি। তাদের বেশির ভাগই বাস করে আর্মেনিয়া, ইরাক, ইরান, সিরিয়া ও তুরস্কের সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত পাহাড়ি অঞ্চলে।

ইরান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নীতি বিশ্লেষণ করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

কুর্দি বাহিনীকে ইরানে হামলা করতে সরাসরি উসকানি দিয়েছেন ট্রাম্প।