উত্তাল ইরানে খামেনি শাসন কি টিকবে
প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।
প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের প্রভাবে শাহরুখ খানের ‘কিং’ ছবির দুবাইয়ের মরুভূমি শুটিং বাতিল হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে মুম্বাইয়ে সেট তৈরি করে অ্যাকশন সিকোয়েন্স নেওয়া হবে। ছবিটি ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে।
কোন দিকে তাকাব, কাকে সমর্থন করব? মন ভাবছে একদিকে, চোখ দেখছে অন্যদিকে। মন বলছে, ইরানের পরাজয় মানে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের পাল্টা হামলার ধকল সইতে হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতকেও।
ইরান যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের আবহে যখন বিশ্বরাজনীতি টালমাটাল, তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ফোনালাপ ফাঁস নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের পর সরকারি ব্যয় কমানোর অংশ হিসেবে আজ বুধবার জাতীয় পরিষদ (এনএ) সচিবালয় নতুন মিতব্যয়িতা নীতি ঘোষণা করেছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে মার্কিন প্রশাসন পরস্পর সাংঘর্ষিক দুটি চুক্তি সই করেছে। ইরানের ওপর শান্তির শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার যে ক্ষমতা ইসরায়েল হারিয়েছিল, সেটি তারা এখন লেবাননে ফিরে পেতে চাইছে।
ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের দরকার নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে এবং পাকিস্তান, ইরাকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্য দেশগুলোও এখন ইরানের সঙ্গে চুক্তির উপায় খুঁজছে।
যুদ্ধ মানেই শুধু সীমান্তে গোলাগুলি, ক্ষেপণাস্ত্র বা কূটনৈতিক উত্তেজনার খবর নয়। যুদ্ধের অর্থ আরও বিস্তৃত—এটি বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় এবং অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দেয়।
দিন দিন যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে। এভাবে কত দিন রুমের মধ্যে বসে থাকতে হবে, জানি না। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, বুঝতে পারছি না।
মাসের পর মাস যুদ্ধ, চাপ আর কূটনৈতিক নাটকীয়তার পর লেবানন কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘ইচ্ছাপত্রে’ প্রবেশ করেছে। এর প্রতিক্রিয়া আসতে দেরি হয়নি। লেবাননের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্ররা এই চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। রাস্তায় প্রতিবাদ হয়েছে, সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা আসার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে তাদের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে।