প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ ভাইভায় ডিজিটাল জালিয়াতি প্রমাণিত, ফলের অপেক্ষায় চাকরিপ্রার্থী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) শেষ হয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) শেষ হয়েছে।
চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর আটকে থাকা ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থীকে অতি শিগগির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসাধু উপায়ে উত্তর সংগ্রহের আগেই ডিজিটাল ডিভাইসসহ ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। একসার্প্ট: পরীক্ষাকেন্দ্রের পাশের একটি বাসা থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ডিজিটাল ডিভাইস, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক ১৬ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেবে।
শিক্ষামন্ত্রী সংসদে জানান, ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ছাড়া আরও ২ হাজার ৬০০ এবং ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও মামলার কারণে ঝুলে রয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে, যা খুব দ্রুততার সঙ্গে করা হয়েছিল।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের নামে প্রতারণার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে একটি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ১৪,৩৮৪ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত ফলাফলের পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণে একধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক পদের মামলা জটিলতা নিরসনের চেষ্টা চলছে। দ্রুতই প্রাথমিকে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।