যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি হলেও যুদ্ধের ক্ষত কি শুকাবে
‘মানুষ অনেক মৃত্যু সহ্য করতে পারে’—ফ্র্যাঙ্ক ম্যাককোর্ট তাঁর স্মৃতিকথায় এ কথা লিখেছিলেন।
‘মানুষ অনেক মৃত্যু সহ্য করতে পারে’—ফ্র্যাঙ্ক ম্যাককোর্ট তাঁর স্মৃতিকথায় এ কথা লিখেছিলেন।
যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি; যদিও ইউরেনিয়ামের মজুত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল বিরোধগুলো এখনো কাটেনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা কখনোই শুধু এই দুই দেশের মধ্যেই সীমিত থাকে না। ইরানের ভেতরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বহু মানুষের মৃত্যুর খবরের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের বক্তব্য আরও কঠোর হয়ে ওঠে।
দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শেষ হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।
পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি প্রক্রিয়া ও সমঝোতা স্মারক এখন হুমকির মুখে; ট্রাম্প জানিয়েছেন যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে, যা বিশ্বনেতারা স্বাগত জানিয়েছেন। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা শুরু হবে শুক্রবার। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব বাস্তব দুনিয়া থেকে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে।
এক্স পোস্টে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের এই ‘কৌশল’ আবারও ব্যর্থ হবে।
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ২১ ঘণ্টায় ব্যর্থ হয়েছে। এর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ এখনো ১০ দিন বাকি থাকলেও যুদ্ধের আশঙ্কা কমেনি।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেনেভা সফরের পরিকল্পনা হঠাৎ বাদ দেওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এড়ানোর মতো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।
২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।