ইরানের কোন কোন অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, এবার যুদ্ধের প্রভাব আর কোথায় পড়তে পারে
ইরানের হামলায় কুয়েতের সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন
ইরানের হামলায় কুয়েতের সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার দাবির মধ্যে গতকাল পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তেহরান সফরের কথা সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা সত্ত্বেও ইরানের বর্তমান সরকার টিকে যেতে পারে।
ইরান যুদ্ধ এখন তৃতীয় মাসে প্রবেশ করেছে। এই যুদ্ধ আর কত দিন চলবে, তা ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।
আলোচনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা ইরানের। আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয়।
তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অস্ত্র আপাতত বিক্রি করছে না যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য গোলাবারুদের মজুত ধরে রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।
যুক্তরাষ্ট্র তাদের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘থাড’-এর কিছু অংশ দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নিচ্ছে।
শুক্রবার একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। এফ-১৫ই এবং এ-১০ মডেলের বিমান দুটি পৃথক ঘটনায় ধ্বংসের শিকার হয়েছে বলে ইরান দাবি করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এ ঘটনা আলোচনায় প্রভাব ফেলবে না।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির পাকিস্তান সফর নিয়ে অনেক আশা ছিল। ভাবা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা আবার শুরু হবে।
গত সপ্তাহে ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসকে চুক্তি স্থগিত করার একটি যৌথ চিঠি দিয়েছে স্পেনসহ তিন দেশ।
চূড়ান্ত আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জনাথন পাওয়েল।