রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের বড় পাঁচটি শাখার ওপর আরোপিত ঋণের সীমা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের বড় পাঁচটি শাখার ওপর আরোপিত ঋণের সীমা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের বড় পাঁচটি শাখার ওপর আরোপিত ঋণের সীমা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।
বিদেশি ঋণ গত বছরের জুনের চেয়ে সেপ্টেম্বরে কমেছে। তবে সেপ্টেম্বরের চেয়ে ডিসেম্বরে বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত মার্চ শেষে এক কোটি টাকার কম ঋণের খেলাপি গ্রাহক বেড়ে ৪৫ লাখ ৪৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয়, ঋণের বোঝা, এসএমই কার্যক্রমের মন্থর গতি এবং কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় পরিশোধ সক্ষমতা কমে যাওয়াকে মূল কারণ হিসেবে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ১১টি এস আলম গ্রুপের, সালমান এফ রহমানসহ সাবেক এমপি-উপদেষ্টাদের কোম্পানি রয়েছে। মোট খেলাপি ঋণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি ছাড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ইসলামি ব্যাংকগুলোতে আমানত ও রেমিট্যান্স প্রবাহ কমলেও বিনিয়োগে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
গত জুন শেষে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ইতিহাসের সর্বনিম্ন। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে নীতি সুদহার কমানো এবং প্রণোদনা প্যাকেজের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
অস্বাভাবিক মাত্রায় ঋণ কেন্দ্রীভূত হওয়া, সম্পদের প্রকৃত মান নিয়ে প্রশ্ন, ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ এবং বিপুল প্রভিশন ঘাটতি; সেগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন সমস্যা ছিল না। এগুলো ইঙ্গিত করছিল যে ব্যাংকটির আর্থিক ভিত্তি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।
সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, ব্যাংক খাতের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও মাঝেমধ্যে টাকা ছাপিয়ে ঋণ দিতে হচ্ছে।
ভয়ংকর উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ, বারবার ঘটে যাওয়া ঋণ জালিয়াতির সব ঘটনা, স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ দেওয়ার প্রবণতার কারণে ব্যাংকিং খাতের ওপর মানুষের আস্থা তলানিতে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রিসাইক্লিং (পুনর্ব্যবহার), পরিবেশবান্ধব স্থাপনা, জ্বালানি ও পানিসাশ্রয়ী উদ্যোগে এই ঋণ দেওয়া হবে