
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করলেন শুভেন্দু অধিকারী, কে কোন দপ্তর পেলেন
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলের মতো লোকসভায়ও ভেঙে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস।

পশ্চিমবঙ্গে সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই টালিউডের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব ও কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। এরই মধ্যে কয়েকটি সংগঠনের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে শুভেন্দুর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। একজন গৃহপরিচারিকাকে নতুন মন্ত্রিসভায় যুক্ত করে চমক দিয়েছে বিজেপি।

২০২০ সালে কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হওয়া শিবকুমার ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দলটিকে বড় জয়ের নেতৃত্ব দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি ভেঙে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের অভ্যন্তরে বিদ্রোহ ও বিভক্তি বাড়ছে।

বিধানসভা নিয়ে যখন এমন নাটকীয় ঘটনা ঘটছে, এরই মধ্যে রাজ্যের সব কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভোটে তারা জয়ী হলে আরজি কর ধর্ষণ-হত্যা মামলারবিচার পুনরায় করা হবে। তার সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হলো। রায় হয়ে যাওয়া মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ এল উচ্চ আদালত থেকে।

বিহার, দিল্লি, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে জেতার পর বিজেপির ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে দক্ষিণ ভারতের দুটি অ-হিন্দি রাজ্য তামিলনাড়ু ও কেরালায়। এসবই নরেন্দ্র মোদির পক্ষে যাচ্ছে।

ভারতের কেরলম (সাবেক কেরালা) রাজ্যে সরকার গঠনের পর কংগ্রেসের নজরে এখন উত্তর প্রদেশ। আগামী বছর দেশের এই বৃহত্তম রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৭ আসন জিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, অর্থনৈতিক ব্যর্থতা, ভোটার তালিকা সংশোধন ও ধর্মীয় ইস্যু বিজেপির জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় আস্থা ভোটে ১৪৪ ভোটে জয়লাভের পরপরই সমালোচিত জ্যোতিষী রাধন পণ্ডিত ভেত্রিভেলকে ওএসডি পদ থেকে সরিয়ে দেন। জয়ললিতার প্রাক্তন উপদেষ্টা ছিলেন ভেত্রিভেল। তাঁর রাজনৈতিক প্রবেশ এবং ভবিষ্যদ্বাণীর বিবরণ সমগ্র প্রতিবেদনে।