
বিএনপির বিরুদ্ধে হুমকি ও মারধরের অভিযোগ ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন।

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ জটিল করে তুলেছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীরা কেউ দলীয় প্রার্থী, আবার কেউ বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই তিনজনের দুজনই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। দলটি এখানে সমর্থন দিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুককে।

সুনামগঞ্জে সংসদীয় আসন পাঁচটি। দুটিতে বিএনপির দুজন নেতা মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দল তাঁদের বহিষ্কার করেছে।

নোয়াখালী–২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। কাজী মফিজুর রহমানের অভিযোগ, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতা–কর্মীরা জড়িত। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের প্রার্থী নুরুল হক নুর এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নির্বাচনী এলাকায় সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুর ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের একাধিক নির্বাচনী কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে প্রশাসন।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মামুনুর রশীদের পক্ষে কাজ করায় দলটির ৯ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি, মিত্ররা

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিপক্ষে এবং দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ৩০ জনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী কামাল জামান মোল্লা ও সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকীর পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ায় বিএনপির ১১ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।