‘একমুঠো ধান যে বাড়িতে আনব, তার কোনো সুযোগ নাই’
নাসিরনগরে টানা বৃষ্টিতে হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। চোখের সামনে ফসল হারিয়ে দিশাহারা কৃষকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা হাজার ছাড়ালেও অনেকের নাম এখনো সরকারি তালিকায় ওঠেনি, ফলে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।
নাসিরনগরে টানা বৃষ্টিতে হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। চোখের সামনে ফসল হারিয়ে দিশাহারা কৃষকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা হাজার ছাড়ালেও অনেকের নাম এখনো সরকারি তালিকায় ওঠেনি, ফলে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।
তীব্র তাপপ্রবাহ সারা দেশে বৃষ্টি হলেও রাজশাহীতে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি ধরা দিচ্ছিল না। বৃষ্টির অভাবে অন্যতম অর্থকরী ফসল আম ঝরে পড়ছিল। গতকাল শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে কাঙ্ক্ষিত সেই বৃষ্টি।
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে অস্বস্তি। ঝড়-তুফানের শঙ্কায় দ্রুত ফসল ঘরে তোলার তাগিদ বাড়ছে।
কৃষকেরা জানালেন, বছরের এ সময় তাঁদেরকে জমিতে সেচ দেওয়া, উৎপাদিত ধান কাটা ও ফসল পরিবহনের জন্য ডিজেলের ওপর নির্ভর করতে হয়।
গাজীপুরের শ্রীপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে ছাতিরবাজারে সিরাজুল ইসলাম (৬৫)-এর দোকানের চালের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়, ফসল ক্ষতি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে দাফনের জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান স্বজনেরা।
সুনামগঞ্জের ডাকুয়ার হাওরে বাঁধ কাটা নিয়ে মোহনপুর ও নোয়াগাঁও গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। অতিবৃষ্টির জলাবদ্ধতা থেকে ফসল রক্ষার জেরে বিরোধ তীব্র হয়।
সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে অতিবৃষ্টির জলাবদ্ধতায় পাকা না হয়েই বোরো ধান তলিয়ে গেছে। হাজারো কৃষক ফসল হারিয়ে অসহায়, অনেকে বাঁধ কেটে ও পাম্প বসিয়ে পানি সরানোর চেষ্টা করছেন। ক্ষতির পরিমাণ জেলায় ১৫ হাজার হেক্টর ছাড়িয়েছে বলে দাবি।
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরের পানিনিষ্কাশনের জন্য একটি ফসল রক্ষা বাঁধ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকালে উপজেলার শান্তিপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ফসল কাটার পর এই চাল সঙ্গে সঙ্গে বাজারে ছাড়া হয় না; বরং বিশেষ পদ্ধতিতে ছয় মাস ধরে সংরক্ষণ করা হয়।
হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ অন্যান্য উন্নয়নকাজে যাতে দুর্নীতি না হয়, সে জন্য সরকার পাহারাদারের ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
বর্তমান সরকার প্রতিটি উপজেলায় খাল খননের জন্য তালিকা চেয়েছে। খাল খননের মাধ্যমে ফসল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
লোকসানে পড়ে, কেউবা অন্য ফসল চাষের দিকে ঝুঁকছেন, কেউ ভিন্ন পেশায় নাম লেখাচ্ছেন।