
দুই বিদ্রোহীতে বিএনপির ভোট তিন ভাগ হওয়ার শঙ্কা, সুবিধা নিতে চায় জামায়াত
রাজশাহী-৫ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই তিনজনের দুজনই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই তিনজনের দুজনই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর থেকেই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এই আসনের প্রার্থী ও তাঁদের নেতা–কর্মীরা। প্রার্থীরা শুনছেন ভোটারদের নানা সমস্যা আর সংকটের কথা, সুযোগ পেলে সমাধানে কাজ করার আশ্বাসও দিচ্ছেন তাঁরা।

খুলনা-১ আসনে সিপিবির প্রার্থী কিশোর রায়ের সমর্থনে গণসংযোগ করেন রুহিন হোসেন।

ঢাকা–৮ আসনে বাসদ (মার্ক্সবাদী) মনোনীত প্রার্থী রাফিকুজ্জামান ফরিদের প্রচারে ‘গানের মিছিল’ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলছেন, নির্বাচনী প্রচার যখন তুঙ্গে তখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত প্রার্থী ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে মাঠ ছাড়ার কৌশল খুঁজছেন।

নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনটি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন ১৩ জন প্রার্থী।

শিশির মনির বলেন, ‘আমি নিজে স্বাক্ষর করে চিঠি দিয়েছি। আমি মনে করি, তাঁরা সমাবেশে উপস্থিত থেকে নিজেদের পরিকল্পনা, দিরাই-শাল্লার জন্য তাঁরা কী করতে চান, সেটি তুলে ধরবেন।’

বিএনপি-সমর্থিত ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলমের (ফুটবল প্রতীক) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগে সরাইল উপজেলা যুবদল ও শ্রমিক দলের ১১ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা–১ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে নির্বাচনী পরিবেশ।

চায়ের দোকান, অটোরিকশার স্ট্যান্ড কিংবা বাজার—সবখানেই আলোচনা জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আলোচনায় ঘুরেফিরে উঠে আসে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের প্রার্থীদের নাম।

এবারের নির্বাচনে পাবনা-১ আসনে মোট চারজন প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই হবে বলে ভোটারদের ধারণা।