ডিজিটাল ঋণ যেভাবে দূর করতে পারে বেকারত্ব
যদি সরকার ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তুলে ক্ষুদ্র ব্যবসাকে অর্থায়নের মূলধারায় আনতে পারে, তাহলে কোটি কোটি উদ্যোক্তা অর্থনীতির নতুন শক্তিতে পরিণত হবে।
যদি সরকার ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তুলে ক্ষুদ্র ব্যবসাকে অর্থায়নের মূলধারায় আনতে পারে, তাহলে কোটি কোটি উদ্যোক্তা অর্থনীতির নতুন শক্তিতে পরিণত হবে।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাঋণ ও বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বিশেষ ব্যাংকঋণ কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষা ও প্রবাসীকল্যাণে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
গত দেড় দশকে দেশে নতুন ১৬টি ব্যাংক অনুমোদন পেয়েছে। সংসদে খোদ অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, এগুলোর বেশির ভাগই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কোনো সন্দেহ নেই, বাংলাদেশের মতো ছোট বাজারে এত বেশি ব্যাংক থাকায় আন্তব্যাংক প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ফলে অনেক ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ দিতে বাধ্য হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দ ঋণ ও অর্থ পাচারের সংস্কৃতি গড়ে ওঠায় অনেক ব্যাংকই এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছে।
সিপিবির বিবৃতিতে বলা হয়, একদিকে নতুন ঋণনির্ভর বড় বাজেট, অন্যদিকে সুদ পরিশোধই অন্যতম প্রধান ব্যয়ের খাত—এটিই বাজেটের অসারতা প্রমাণ করে।