জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলাম সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রিত হননি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে জামায়াতে ইসলামী সাদিক কায়েমের নাম চূড়ান্ত করেছে, যেখানে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার নাম ঘোষণা করে রেখেছে এনসিপি।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে ভাঙনের সুর স্পষ্ট হচ্ছে। কিছুদিন আগেই কওমি ঘরানার দলগুলোকে এই জোট থেকে বের করার উদ্যোগ নেয় হেফাজতে ইসলাম। এজন্য কওমি ঘরানার সাত ইসলামি দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন সংগঠনটির আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। এর মধ্যে ১১ দল ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়- আমরা মানুষ, আমাদেরও ভুলত্রুটি হয়। আমরা একটা কথা পরিষ্কার বলেছি, অন্যায় আর জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে চলে না। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে
নৈতিক স্খলনের অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে তার নির্বাচনি এলাকা শ্যামনগরে সাধারণ মানুষ ও উৎসুক জনতার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধ
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুলকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। যদিও তিনি বলেছেন, ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তার দাবি, তিনি তার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে গত ১৭ জুন ওই তরুণীক
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম এবং এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বা ডিপফেক দিয়ে তৈরি নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শনাক্তকারী চারটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফ্যাক্ট-চেক করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মুক্তকণ্ঠ। অন্যদিকে,
অভিযোগের বিষয়ে জানতে পীরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সংসদে আছি, এখানে কথা বলা কঠিন’ বলে সংযোগ কেটে দেন।
সংসদে নিজের বক্তব্যের শুরুতে জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী হাসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লা, মীর কাশেম আলীকে স্মরণ করেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন বর্জন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থক আইনজীবীরা। নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তারা নতুন কমিশন গঠন ও পুনর্নির্বাচন দাবি করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
প্রতিনিধিরা ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ায় নিজ নিজ সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই জামায়াতের আমিরের বাসায় গেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান।