ব্যবসায়ীকে গুলির পর বলেন ‘এবার কবরে যা’, সন্ত্রাসী সাজ্জাদসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
গুলিতে আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইউনুস। তাঁকে মৃত ভেবে চলে যাওয়ার সময় অস্ত্রধারীদের একজন বলতে থাকেন, ‘সাজ্জাদ ভাইয়ের কথা ভালো লাগে নাই, এবার কবরে যা।’
গুলিতে আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইউনুস। তাঁকে মৃত ভেবে চলে যাওয়ার সময় অস্ত্রধারীদের একজন বলতে থাকেন, ‘সাজ্জাদ ভাইয়ের কথা ভালো লাগে নাই, এবার কবরে যা।’
গতকাল সোমবার বিকেলে কক্সবাজার শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজিবি ক্যাম্প-সংলগ্ন পল্লানকাটা গ্রামে গিয়ে কথা হয় নেপালী দের সঙ্গে। নেপালী দে যে জায়গায় দাঁড়িয়ে ঘটনার বর্ণনা করছিলেন, ৭ মার্চ দুপুরে সেখানেই ছুরিকাঘাতে নিহত হন তাঁর স্বামী।
পানিসম্পদমন্ত্রী তিন দিনের সফরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে এসেছেন। আজ শুক্রবার ও আগামীকাল শনিবার তিনি লক্ষ্মীপুর থাকবেন।
অডিওতে নোমানকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা সিনিয়রদের সিদ্ধান্ত।’ টাকা না দিলে গাড়ি চলাচলে বাধা দেওয়ার ইঙ্গিতও পাওয়া যায়।
ফেনীতে মাটি ব্যবসা ও চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের দুই বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর পরিবারের পাঁচজন আহত হয়েছেন এবং বাড়িগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। পুলিশ তদন্ত করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যার পর সরাইল উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মলাইশ বাজারে এক পথসভায় রুমিন ফারহানা বক্তব্য দেন।
জামায়াতে ইসলামী হত্যা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির রাজনীতি চায় না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদে ৭ বছর আগে একটি ভবনে পেট্রলবোমা ছুড়ে মারেন সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় চাঁদাবাজি ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা হয়। মামলার অভিযোগপত্রে যাঁদের আসামি করা হয়, তাঁদের একজন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম। এই আসামি দুই মাসের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকলেও তাঁকে চাঁদাবাজি ও বিস্ফোরক আইনের মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। মামলার নথি অনুযায়ী, ইমতিয়াজ এখনো পলাতক।
ভোটারদের ভোটের দিন ফজরের নামাজ পড়ে কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হাসনাত। ফলাফল নিয়ে না আসা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র না ছাড়ার পরামর্শ দেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে একটি দল জাতির কাপড় খুলে নেবে। ক্ষমতা যাওয়ার আগেই তাঁরা হত্যা, চাঁদাবাজি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়ার মতো কাজ করছে।