
কোরবানির পশুর জন্য আধুনিক কসাইখানা কবে হবে বাংলাদেশে
বাংলাদেশে কোরবানির সময় পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। প্রতিবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে লাখ লাখ পশু জবাই করা হয়, যার ফলে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সৃষ্টি হয়।

বাংলাদেশে কোরবানির সময় পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। প্রতিবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে লাখ লাখ পশু জবাই করা হয়, যার ফলে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সৃষ্টি হয়।

যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।

এই প্রেক্ষাপটে ‘সুন্নাতে ইব্রাহিমি’র অসংখ্য প্রজ্ঞার মধ্যে একটি প্রধান দিক হলো, এটি মানুষের সেই সহজাত মানসিক চাহিদাকে এক মার্জিত ও মহৎ রূপ দান করে।

কোরবানি ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ ও আনুগত্যের স্মৃতিবিজড়িত সুন্নত। তবে হাদিসে দুটি আমলের কথা এসেছে, যেগুলোর মাধ্যমে কোরবানির সমপরিমাণ সওয়াব অর্জন করা যায়।

শহুরে ব্যস্ততা এবং প্রবাসীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির বিজ্ঞাপন এখন বেশ জনপ্রিয়। ইসলামের এই আধুনিক ব্যবস্থাকে কীভাবে দেখে?

পশুর হাটে প্রবেশমুখের ঠিক পরেই মানুষের জটলা। বয়সী মানুষদের চেয়ে শিশু-কিশোরদেরই ভিড় বেশি। হাটের দুই মহিষকে নিয়ে তাদের যত আগ্রহ। আগ্রহের এই কারণ অন্য কিছু নয়, মহিষ দুটির গায়ের রং। পুরো শরীর গোলাপি।

ঈদুল আজহায় কোরবানির মাংস কাটাকাটি, ধোয়া কিংবা ভাগাভাগির কাজ করতে গিয়ে হাতে একধরনের কাঁচা গন্ধ লেগে থাকা খুবই স্বাভাবিক।

চট্টগ্রামে কোরবানির পশু কেনার ধরন এখন বদলে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও অধিকাংশ মানুষ নির্ভর করতেন সাগরিকা, বিবিরহাট কিংবা অস্থায়ী পশুর হাটের ওপর। এখন ধীরে ধীরে সেই জায়গা নিচ্ছে খামার। এর পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, খামারে ভিড় কম। কাদা, যানজট ও ঠেলাঠেলির ঝামেলা নেই। পরিবার নিয়ে গিয়ে নিশ্চিন্তে গরু দেখা যায়।

১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যক্তির মাঝে পাঁচটি শর্ত পাওয়া গেলে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব

শরিকানা কোরবানির সঙ্গে জড়িয়ে আছে শরিয়তের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এসব বিষয়ে সচেতন না হলে কোরবানি সহিহ হওয়া নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

আজ রোববার দুপুরে বগুড়া সিটি করপোরেশন মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির পাশাপাশি ‘ভাগে’ কোরবানি দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।