জসীমউদ্দীনের শিশুতোষ, ছড়া-কবিতা
কবি জসীমউদ্দীন মানবিক সত্তাও ফুটে উঠেছে শিশুতোষ ছড়া ও কবিতায়।
কবি জসীমউদ্দীন মানবিক সত্তাও ফুটে উঠেছে শিশুতোষ ছড়া ও কবিতায়।
মশা-মারা আবিষ্কার নিয়ে আনিসুল হকের কবিতা
স্পেন ও লাতিন আমেরিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাবের সাক্ষ্য এক কবিতায়। স্প্যানিশ কবি আন্তোনিও মাচাদো রবীন্দ্রনাথকে নিবেদিত এই কবিতা রাজু আলাউদ্দিনের অনুবাদে। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের প্রেক্ষাপটে প্রাচ্যের আলোর উল্লেখ রয়েছে এতে।
এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬। বাংলা ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন- কবিতা: সেইদিন এই মাঠ
ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে গান ও আলোচনায় কামাল লোহানীকে স্মরণ করল উদীচী।
ফেরদৌসী ৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে তুস শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
ঈদ উদ্যাপনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ হলেও বাংলা ঈদসাহিত্যের সূচনা বিশ শতকের শুরুতেই।
হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস কিছুক্ষণ অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা তানিম নূর। এর আগে উৎসব নির্মাণ করে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।
জনাবাই এমন এক নারী, যিনি ভক্তি আন্দোলনের গভীরতম স্রোতে দাঁড়িয়ে থাকা এক শক্তিশালী সত্তা। দাসত্বের জীবনে থেকেও কবিতা, ঈশ্বরপ্রেম আর মানবসমতা—এই তিনটিকে তিনি অনুপমভাবে মিলিয়েছেন। জনাবাইয়ের জীবন ও কবিতা নারী, নিম্নবর্ণ ও শোষিত মানুষের আধ্যাত্মিক মুক্তি এবং সামাজিক প্রতিবাদের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে শত শত বছর ধরে জীবন্ত রয়েছে।
২০০৩ সালের ৮ জুলাই কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর সাহিত্যকীর্তি আজও সমান জীবন্ত ও প্রাসঙ্গিক। সময় যত এগিয়েছে, ততই নতুন অর্থে ফিরে এসেছে তাঁর কবিতা। সমাজে যখনই শোষণ, অবিচার কিংবা ফ্যাসিবাদের অন্ধকার বিস্তার লাভ করেছে, তখনই প্রতিবাদী যুবসমাজ সাহস ও সংগ্রামের ভাষা খুঁজে পেয়েছে তাঁর কবিতায়। সুভাষ মুখোপাধ্যায় কেবল ২১ বছরের তরুণ পদাতিক-এর কবি নন; তিনি ছিলেন আজীবন সংগ্রামে অবিচল এক পথিক। তাঁর কবিতা শুধু একটি সময়ের রাজনৈতিক উচ্চারণ নয়, বরং ন্যায়, মানবমুক্তি ও প্রতিরোধের এক স্থায়ী কাব্যভাষা, যা যুগে যুগে মেহনতি মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়ে যাবে। তাঁর বিখ্যাত কবিতার সেই অবিনশ্বর লাইন, যা চিরকাল মানুষের মনে আশার আলো জ্বেলে রাখবে: ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। শান-বাঁধানো ফুটপাথে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি কচি পাতায় পাঁজর ফাটিয়ে হাসছে।’ (ফুল ফুটুক না ফুটুক, ফুল ফুটুক)
কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ যেন চিরযৌবনের প্রতীক। ব্যক্তিজীবন, কবিতা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে বশ্যতার নিয়ম ও আধিপত্যবাদী দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বিদ্রোহ। বিট–প্রজন্মের নেতা ও ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী এই কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে। লিখেছিলেন তাঁর অমর কবিতা ‘যশোর রোডে সেপ্টেম্বর’। ৩ জুন এই কবির জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হলো।
জুয়েল মাজহারের কবিতা ‘সমুদ্রখাঁড়ির পাশে’