
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক শ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ইরান প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ইরান প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।

ওয়াশিংটনের এই কৌশলের বিরূপ প্রভাব কেবল আঞ্চলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়।

একটি ধারণা প্রচলিত ছিল, পাকিস্তান রাষ্ট্রটি প্রায় ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রের’ পথে হাঁটছে। এমনকি পাকিস্তানি পাসপোর্ট বা ভিসা কোনো ভ্রমণকারীর কাগজে থাকলে উন্নত বিশ্বে যাতায়াতেও কড়াকড়ি শুরু হয়েছিল।

পেন্টাগন বলেছে, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যেই সেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা গত বুধবার জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। তবে এটা প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে অনেক কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন সিনেটে ইরান যুদ্ধ থেকে সেনা প্রত্যাহারের ডেমোক্র্যাট প্রস্তাব ৪৭-৫০ ভোটে নাকচ হয়েছে।

এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ এবং ধ্বংস হওয়া যুদ্ধাস্ত্র বা সরঞ্জাম প্রতিস্থাপনের ব্যয় যোগ করলে প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ চার থেকে পাঁচ হাজার কোটি (৪০–৫০ বিলিয়ন) ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাবে।

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে বলে গতকাল বুধবার পেন্টাগনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

বিশ্বব্যাংক আরও বলছে, উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশের গড় মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে।

আলেকজান্ডার পোপ একসময় বলেছিলেন, ভুল করা মানুষের স্বভাব। কথাটি সত্য, কারণ, মানুষমাত্রই ভুল করে।

যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ইরান যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি ওলটপালট হলেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।