
যুদ্ধ শুরু হলে চীন কি ইরানকে রক্ষা করবে
গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

ইরানকে একেবারে ধ্বংস করে নতজানু হতে বাধ্য করতে বিদেশি শক্তি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সরকারের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।

আজ রোববার সকালে ঢাকায় ইরান দূতাবাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন জলিল রহিমি জাহনাবাদি।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে প্রবাসীরা ইরান থেকে তাঁদের পরিবার বা বন্ধুদের কোনো খবর পাচ্ছিলেন না।

ইরানি কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যের আগে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে নিহতদের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য দিয়েছিল।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা কেন এত সহজ না

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ‘কয়েক হাজার’ মানুষের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে জড়িত অপশক্তি দায়ী।

২০২৬ সালের বিক্ষোভ কয়েকটি কারণে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। এই আন্দোলন শুরু হয় এমন এক সময়ে, যখন আঞ্চলিক পর্যায়ে ইরান বড় ধরনের কৌশলগত চাপের মুখে ছিল।

ইরানের ৫ কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ওপর চাপ বজায় রাখার মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

ইরানজুড়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভের প্রায় দুই সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর পছন্দের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে একটি বার্তা দেন। তিনি লেখেন, ‘ইরান এমন এক স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে, যা (ইরান) আগে কখনো দেখেনি।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরি নেই।