ভারতে নিযুক্ত তাঁর প্রতিনিধি এমন তথ্য দিয়েছেন।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
তেহরানে আজকের শোকমিছিল শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার আয়াতুল্লাহ আলীর মরদেহবাহী কফিন নিয়ে যাওয়া হবে শিয়াদের পবিত্র কোম নগরীতে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন চুক্তিতে ট্রাম্প মরিয়া ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন খামেনি।
সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা তেহরানে ৪ জুলাই হবে এবং ৯ জুলাই মাশহাদে দাফন হবে।
৯ জুলাই মাশহাদে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনপ্রক্রিয়া মহররমের প্রথম ১০ দিনের (আশুরা) পর অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার জন্য ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কয়েক দশক ধরে লেগে ছিল।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যখন জেনেভায় পরমাণু আলোচনা শুরু হয়েছে, ঠিক তখন খামেনি এ হুঁশিয়ারি দিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে যখন টানাপোড়েন চলছে, তখন এমন হুঁশিয়ারি দুই দেশের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলল।