মুমিনকে আক্রমণ করায় শয়তানের নানা কৌশল
সে কখনোই মানুষকে সরাসরি গিয়ে বলে না যে ‘তুমি পাপ করো’। বরং সে পাপের কাজকে কল্যাণকর ও সাময়িক প্রয়োজন হিসেবে উপস্থাপন করে মানুষকে ধোঁকা দেয়।
সে কখনোই মানুষকে সরাসরি গিয়ে বলে না যে ‘তুমি পাপ করো’। বরং সে পাপের কাজকে কল্যাণকর ও সাময়িক প্রয়োজন হিসেবে উপস্থাপন করে মানুষকে ধোঁকা দেয়।
আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশ্বজনীন আহ্বান আছে, নিজের জীবনকে তাঁর কাছে সমর্পণ করার আহ্বান। জীবনের ভেতরে তাঁকে অনুভব করতে হলে ৪টি কথা মনে রাখতে হবে।
ইসলামে সবর বা ধৈর্য মানে আদেশে অবিচল থাকা, পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় আল্লাহর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট থাকা।
আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে অদৃশ্য সম্পর্ক তৈরি করে। তাঁর সান্নিধ্য লাভের পথ সুগম হয় এবং মানুষ সরল ও সঠিক পথে অবিচল থাকার শক্তি অর্জন করতে পারে।
যেসব অভ্যাস মুমিন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়, লোক সমাজে তার সম্মান-মর্যাদা ক্ষুন্ন করে তা পরিহার করা আমাদের জন্য অপরিহার্য।
প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে সংকটে ভুগছেন। অন্যদিকে সীমিত আয় করেও অনেক মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন। কীভাবে? কারণ প্রকৃত স্বাচ্ছন্দ্য উপকরণে নয়।
পাপ বান্দা ও তার প্রতিপালকের মধ্যকার সম্পর্ক দুর্বল করে আখেরাতের সফলতাকে বিপন্ন করে তোলে। তাই পাপের কারণগুলো জানা এবং সেগুলো থেকে বেঁচে থাকা অপরিহার্য।
মানুষের আত্মার প্রশান্তি ও হৃদয়ের সজীবতা শুধু তখনই সম্ভব, যখন সে তার প্রতিপালককে তাঁর নাম, গুণাবলি ও কার্যাবলির মাধ্যমে চিনতে পারে।
আপনার কি মনে হয় কোনো বিশেষ পরিবেশ বা অভ্যাস আপনাকে বারবার একই ভুল করতে বাধ্য করছে? সেটি চিহ্নিত করা হতে পারে আপনার পরিবর্তনের প্রথম ধাপ।
রাসুল (সা.) বলেছেন, তিনি তাঁর উম্মতের জন্য সবচেয়ে বেশি ভয় পান ছোট শিরক—বিশেষ করে ‘রিয়া’কে (লোকদেখানো ইবাদত)। কারণ, এটি মানুষের অন্তরকে ধ্বংস করে দেয়।
বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দ আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রাচীন ইতিহাসের সেই সব জাতির কথা, যারা অবাধ্যতার কারণে আকাশ থেকে আসা এক মহাগর্জনের মাধ্যমে ধ্বংস হয়েছে।
তকদিরের দোহাই দিয়ে দোয়া থেকে বিরত থাকা ঠিক নয়। কারণ দোয়া নিজেই ভাগ্যের একটি অংশ। আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কিছুর কমতি নেই।