পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জীবনে যেভাবে স্বস্তির বিরতি আনে
নামাজ আমাদের শেখায় দিনে পাঁচবার নিজের ভেতরের অহংকার ও জাগতিক তাড়াকে একপাশে সরিয়ে রেখে জীবনের আসল উদ্দেশ্যকে নতুন করে স্মরণ করতে।
নামাজ আমাদের শেখায় দিনে পাঁচবার নিজের ভেতরের অহংকার ও জাগতিক তাড়াকে একপাশে সরিয়ে রেখে জীবনের আসল উদ্দেশ্যকে নতুন করে স্মরণ করতে।
কখনো না বুঝে, কখনো অসচেতনতায়, আবার কখনো মনস্তাত্ত্বিক প্ররোচনায় আমরা এমন কিছু করে ফেলি, যার জন্য পরবর্তী সময় গভীর অনুশোচনা জাগে।
বিনয় মানুষকে ছোট করে না; বরং আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান ও মানুষের কাছেও প্রিয় করে তোলে। বিনয়ী চরিত্র গঠন করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
আধুনিক যুগে অভ্যাসে পরিণত হওয়া অনিয়মিত রাত জাগার প্রবণতা মানুষের ভোরের ইবাদত বিনষ্ট করে এবং শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট করে, যা নবীজির শিক্ষার পরিপন্থী।
জুমার খুতবা চলাকালীন দানবাক্স বা ব্যাগ ঘুরিয়ে টাকা সংগ্রহের শরয়ী বিধান এবং খুতবার আদব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
ইসলামে এমন কিছু বিশেষ ও বরকতময় মুহূর্তের কথা বলা হয়েছে, যখন বান্দার ডাক সরাসরি আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায় এবং দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
আমরা চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব নামাজটা পড়ে শেষ করে দায়মুক্ত হতে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নামাজ আর ইবাদত কি সত্যিই আমাদের জন্য কোনো বোঝা?
একজন মুসলমানের জন্য কমপক্ষে এতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক, যতটুকু না হলে ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো পালন করা তার জন্য অসম্ভব।
রাসুল (সা.) দুপুরের পরিশ্রান্ত ভাব কাটানোর এমন একটি সহজ, স্বাস্থ্যকর ও প্রশান্তিকর অভ্যাস শিখিয়ে গেছেন, যা শরীরকে সতেজ করার পাশাপাশি ইবাদতের শক্তিও জোগায়।
একজন মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব হলো, নিজের জিবকে সংযত রাখা এবং সর্বাত্মক চেষ্টা করা, যেন তার কথা কারও সম্মানহানি বা কষ্টের কারণ না হয়।
আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে অদৃশ্য সম্পর্ক তৈরি করে। তাঁর সান্নিধ্য লাভের পথ সুগম হয় এবং মানুষ সরল ও সঠিক পথে অবিচল থাকার শক্তি অর্জন করতে পারে।
নবী ইউনুসের কথা ভাবুন। গভীর সমুদ্রের অন্ধকার, রাতের অন্ধকার, মাছের পেটে দমবন্ধ অবস্থা, তিন স্তরের ঘুটঘুটে অন্ধকার। এখান থেকে বের হওয়া মানবীয় দৃষ্টিতে অসম্ভব।