
গানে-কথনে একুশের চেতনা
শনিবার সকালে ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এক অনাড়ম্বর কিন্তু সুশৃঙ্খল নিবেদন।

শনিবার সকালে ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এক অনাড়ম্বর কিন্তু সুশৃঙ্খল নিবেদন।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের মুক্তকণ্ঠ চরের শিক্ষার্থীরা কাঠ ও কাগজে তৈরি অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে।

জহির রায়হান—বাংলা চলচ্চিত্রের সাহসী কণ্ঠ, যিনি সিনেমাকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম ভাবেননি, ভেবেছিলেন প্রতিরোধের ভাষা হিসেবে।

বিশ্বের বড় ভাষাগুলোও ইংরেজির প্রভাব অস্বীকার করতে পারেনি। ইংরেজিকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে লাভ নেই; প্রয়োজন বাংলাকে প্রযুক্তিসক্ষম করা।

এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬। বাংলা ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন—একুশের গল্প

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও ধর্মান্ধতা প্রতিরোধ করে একুশের চেতনা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

একাত্তরের পর বলা হয়েছিল যে একাত্তর ঘটেছে ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য। কথাটা তলিয়ে দেখা দরকার। বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ একই সঙ্গে বাঙালি ও মুসলমান।

ফুলে ফুলে ভরেছে মিনার, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার এসেছে সংগ্রামের পথে, রক্তাক্ত আত্মনিবেদনে; নানা ধাপে। ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।

ফুলে ফুলে ভরে গেছে শহীদ মিনারের বেদি।

ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আমাদের স্বাধিকার সংগ্রাম বেগবান হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল।

ভাষার জন্য বাংলাদেশিদের আত্মত্যাগ মানবিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক স্বাধিকারের প্রশ্নকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করে।