ইসরায়েলের কাছে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, সৌদির কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েল ও সৌদি আরবে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইসরায়েল ও সৌদি আরবে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
পুরস্কারপ্রাপ্তির মধ্য দিয়ে কেবল একটি সিনেমার সাফল্য নয়, বরং ওটিটি ও প্রেক্ষাগৃহ একসঙ্গে কাজ করে ইন্ডাস্ট্রি গড়ার মডেলটিই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেল।
নথির পাশাপাশি প্রয়াত এ ধনকুবের সংক্রান্ত বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।
ভারত আর চীনের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তা আর স্বার্থরক্ষার নামে আরও বেশি আগ্রাসী হবে না, এই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। নতুন বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন আসিফ বিন আলী
অভিবাসন–সংক্রান্ত কোনো অভিযানে স্থানীয় পুলিশ যেন আর অংশ নিতে না পারে, সেটিই এ বিলের লক্ষ্য।
তুরস্ক সফরকালে সাংবাদিকদের আরাগচি বলেন, ‘আলোচনায় বসতে ইরানের কোনো সমস্যা নেই। তবে হুমকির ছায়াতলে কোনো আলোচনা হতে পারে না।’ মেটা– যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ন্যায়সংগত ও সমতাভিত্তিক’ আলোচনায় ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আত্মীয়স্বজনের মধ্যে অনেককে বলতে শুনেছি, ‘হাসিনা গেছে, এতেই খুশি।’ আবার বিপরীত কথাও জোড়েশোরে শোনা যাচ্ছে, ‘আগেই ভালো ছিলাম।’
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের মধ্যে একটি ভিডিও কনফারেন্সের প্রস্তাব দিয়েছেন।
‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।
ট্রাম্প কয়েক মাস ধরে পাওয়েলকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে আসছেন। সুদের হার দ্রুত অবনমন না করায় তিনি পাওয়েলকে ‘বুদ্ধিহীন’ ও ‘মূর্খ’ বলে আখ্যা দেন।
শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ খেলা ক্রিকেটার ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে আছেন পাকিস্তান ও ভারতের বংশোদ্ভূত দুই খেলোয়াড়।
ট্রাম্পের যুক্তি হলো, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত উপস্থিতি না থাকলে চীন ও রাশিয়া সেখানে প্রভাব বিস্তার করবে। এতে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে।