সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি বিএনপির সদস্যরা
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি বিএনপির সদস্যরা
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি বিএনপির সদস্যরা
শপথগ্রহণ শেষে বিএনপির নির্বাচিতরা সংসদ সদস্যের শপথপত্রে সই করেন।
মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা কত
অভিযোগ বাক্সে লেখা, ‘বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী চাঁদাবাজি অথবা অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকলে দয়া করে নির্দ্বিধায় লিখিত অভিযোগ জমা দিন। নিবেদক—মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, এমপি।’
সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে কিছুটা সংশয় আছে। বিএনপি মনে করছে, বিদ্যমান সংবিধানে যা আছে, সেটা অনুসরণ করাই যৌক্তিক।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবং সরকারি গেজেটে ফলাফল প্রকাশের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন উঠেছে
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম এ কথা জানান।
নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। তাদের শরিকেরা পেয়েছে ৩টি আসন।
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর উপযুক্ত ব্যক্তি হলেন স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার।
সিলেট–৪ আসনে আরিফুল হক ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬টি ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জয়নাল আবেদীন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়েছেন।
সংসদ সদস্যদের শপথ: কে পড়াবেন?
রোববার কক্সবাজারের মহেশখালী পৌরসভা এলাকায় গণসংযোগকালে হামিদুর রহমান আযাদ এ মন্তব্য করেন।