দেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছে সরকার।
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছে সরকার।
চার বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। সর্বশেষ বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি হয়েছে গত মাসে।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশে এখন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুতের ঘাটতি নেই।
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশে মজুত সম্প্রসারণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করার প্রস্তাব।
তাঁর ভাষায়, ‘মাছ-মাংস খাইলে খাই, না খাইলে নাই; এখন চলতে খুব কষ্ট হয়। জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি। যা বেতন পাই, তা দিয়ে সংসার চলে না।’
বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর দুটি উপায়। একটি হলো মূল্যবৃদ্ধি, অন্যটি ব্যয় কমানো।
সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৭টায় দোকান, বিপণিবিতান বন্ধ এবং বিলবোর্ডের আলো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।
নতুন এ সহায়তা প্যাকেজের পরিমাণ বা শর্ত সম্পর্কে কোনো পক্ষই এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
চলতি বছরের শুরুর দিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ল এবং হরমুজ প্রণালি হুমকির মুখে পড়ল, তখন জ্বালানি আমদানিকারক অধিকাংশ দেশ বড় ধরনের সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
২০২০ সালে করোনা, ২০২২ সাল ও পরবর্তী উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বর্তমানে অর্থনীতিতে ভাটা মানুষকে আর্থিক চাপে ফেলেছে।
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
‘রিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগে সায় নেই শীর্ষ নেতৃত্বের