ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মেয়েসহ তিনজনের ওপর জামায়াত কর্মীদের হামলার অভিযোগ
এ ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেলা দুইটার দিকে চরফ্যাশন প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেলা দুইটার দিকে চরফ্যাশন প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে।
পাবনা–৫ (সদর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীদের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় দেখা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ‘১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’ এখনো আসনভিত্তিক ঐক্য আসেনি। ৬৫টি আসনে রয়ে গেছে একাধিক প্রার্থী।
ঢাকা–১০ আসনে চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারে কঠোর ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সোমবার মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহে কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে রাতে মাগুরা আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে এ কথা বলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।
ঝিনাইদহে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতিবাজদের হাতে ব্যন্ডেজ দিয়ে হাত মুট করে দেওয়া হবে, যাতে তারা ওই হাত দিয়ে দুর্নীতি করতে না পারে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ কেন্দ্র (ডাকসু) নিয়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসানের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে পাথরঘাটায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে এলডিপির প্রার্থী এম এয়াকুব আলীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদুল আলম।
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা শুনতে পাচ্ছি, কেউ কেউ নিজেদের হেরে যাওয়ার (জাতীয় নির্বাচনে) ভয়ে বাঁকা অন্ধকার গলিপথে চলতে পারেন।’
শনিবার সকালে তৃতীয় দিনের নির্বাচনী প্রচারে নেমে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী এসএম পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে সামনে এসেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।