চার কারণে রুমিন ফারহানার বড় জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) একমাত্র প্রার্থীই জামানত হারাচ্ছেন। চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে নির্বাচন করেন মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ। তিনি আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দুই আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চট্টগ্রামে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকটি আসনে নতুন মুখের জয়ই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েই পাঁচজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন বিএনপির ও একজন জামায়াতে ইসলামীর। ভোটাররা বলছেন, স্থানীয় বাস্তবতা ও সম্ভাবনা বিবেচনা করেই অনেকেই এই প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন।
কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এসব আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন স্থানে বিজয়ী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসনে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৫০ ভোটের ব্যবধানে ভূমিধস জয় পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।
তিন জেলাতেই গণভোটে ‘না’ পড়েছে বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে গভীর রাতে বেসরকারিভাবে এ ফল ঘোষণা করেন জেলার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলম।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরের আংশিক) আসনে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর, পাহাড়তলী, ডবলমুরিং) আসনে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান।
শুরুতে ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য। এরপর নির্বাচিত হয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদেও নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এই পথচলা নুরুল আমিনের। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও চর রাজীবপুর) আসনে বড় ভাইকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন ছোট ভাই। এ আসনে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান।