ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কি আগ্রাসনের অভিযোগ আনা যাবে?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না।
ট্রাম্প নিজেও প্রশ্ন তুলেছেন, ‘সাড়ে নয় হাজার মাইল দূরে’ একটি যুদ্ধের জন্য আমেরিকানরা কেন লড়বে? এমনকি তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রিকেও তিনি ‘খুব ভালো দর-কষাকষির হাতিয়ার’ বলে উল্লেখ করেছেন।
চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প আবারও তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন।
ট্রাম্প বলেছেন, আলোচনার ফলাফল না জানা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চলবে।
ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করে এখন মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছেন।
ট্রাম্প বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ডের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে সেখানে একটি হাসপাতাল জাহাজ পাঠাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানকে ১০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প অবশ্য এখনো সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার বাসনা ছাড়েননি। তবে এখন তিনি প্রতি পদক্ষেপে ছোট ছোট কিন্তু উল্লেখযোগ্য কিছু প্রতিরোধের মুখে পড়তে শুরু করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স ও সুস্থতা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতা গ্রহণের এক বছর পূর্ণ হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়া ইরান সরকার বলেছে, তারা ‘যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’।
মার্কিন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল’ অনুমোদন করেছেন।