ইরান যুদ্ধ কীভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করছে
ইরানে হামলা প্রশ্নে ট্রাম্প এবং তাঁর কর্মকর্তারা একেবারে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
ইরানে হামলা প্রশ্নে ট্রাম্প এবং তাঁর কর্মকর্তারা একেবারে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
ইরান গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের পাশাপাশি লেবানন থেকে ইসরায়েলের সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়
গত কয়েক দিনে ইরানে হামলা নিয়ে বেশ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
গত বছর জুনে ইসরায়েল–ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ড্রোন হামলা মোকাবিলায় নিজেদের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের পাঠাচ্ছে ইউক্রেন।
তেহরান ও ওয়াশিংটন উত্তেজনার মধ্যে ইরানের খুজেস্তান প্রদেশে নির্মাণাধীন দারখোভিন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১৯ জুলাই) ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থা (এইওআই) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার তথ্য জানিয়েছে। এইওআই জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার ভোরে খু
ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, হুমকির মধ্যে ১৭টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি যুদ্ধাপরাধ।
মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলছে, হামলা সত্ত্বেও ইরানের ৯০% ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি সচল এবং ৭০% মজুত অক্ষত। চলতি মে মাসের শুরুতে তৈরি এ প্রতিবেদন নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবির বিপরীতে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন।
যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বড় সংঘাত এড়াতে দুই দেশই এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।