রঘু রাই: এক মহান শিক্ষক
সম্প্রতি চলে গেলেন রঘু রাই। গুণী একজন আলোকচিত্রী। গত দুই বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
সম্প্রতি চলে গেলেন রঘু রাই। গুণী একজন আলোকচিত্রী। গত দুই বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
সরকার বদলায়, নীতিনির্ধারক বদলায়, স্টিয়ারিং ধরার হাত বদলায় কিন্তু বাস বদলায় না। এই অমরত্বের রহস্যটা সেদিনই বুঝলাম। বিআরটিএ নতুন বাসের দামে ভাড়া নির্ধারণ করে। কিন্তু রাস্তায় চলে ২০ বছরের পুরোনো বাস। অর্থাৎ আমরা নতুনের ভাড়া দিই, পুরোনোতে চড়ি। অর্থনীতির ভাষা জানি না, তবে আমাদের ভাষায় একে বলে—ঠগবাজি।
২০২৬ সালের গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস বাংলাদেশকে নিয়ে একটি অস্বস্তিকর বার্তা দিয়েছে।
জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী হাস্যরস সৃষ্টির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ও নকল বন্ধের আহ্বান জানান।
২৯ এপ্রিল বুধবার ছিল বিশ্ব নৃত্য দিবস। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘ঐক্য, সৃজনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তি’। এতে দেশের প্রায় এক শ নাট্যদলের ছয় শতাধিক নৃত্যশিল্পী অংশ নেন।
মারা যাওয়া ব্যক্তিদের কেউ মাঠে গরু আনতে গিয়েছিলেন, কেউ খেতে কৃষিকাজ করছিলেন। কলাপাড়ায় বজ্রপাতে ২৩ জনের ২৯টি গবাদিপশু মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ২০ মাসে রাউজানে ২২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অন্তত ১৬টি রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে। এই সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়; বরং ট্রমায় কবলিত হওয়া কিছু পরিবারের সদস্যের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর হাহাকার তুলে ধরে। আর মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান আতঙ্কের কথাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়। সর্বশেষ বিএনপির কর্মী কাউসারুজ্জামানের নির্মম হত্যাকাণ্ড আবারও সেই প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে—রাউজান কি ধীরে ধীরে সহিংসতার এক স্থায়ী ভূখণ্ডে পরিণত হচ্ছে?
এবার বিশ্ব নৃত্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ঐক্য, সৃজনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তি’। শিল্পকলা একাডেমি ছাড়াও বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা ও নৃত্যশিল্পী ফাউন্ডেশনও দিবসটি উপলক্ষে পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
ঢাকার ট্রাফিক সমস্যা মূলত সড়কের নয়, এটি একটি ভেঙে পড়া নগর শাসনব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি।
যুদ্ধ বা বাণিজ্য, সব জায়গায় একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্বের বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা
একটি শিশুর লাশ যখন বাবার কাঁধে ওঠে, তখন তা কেবল একটি পরিবারের ব্যক্তিগত শোক থাকে না; সেটি হয়ে ওঠে রাষ্ট্র, সমাজ ও জনস্বাস্থ্যব্যবস্থার কাছে এক নির্মম প্রশ্ন।
ব্লু কলার চাকরি, হোয়াইট কলার চাকরি—এমন শব্দবন্ধ তো আমরা হরহামেশাই শুনি। জানেন কি, কলার দিয়ে আদতে কী বোঝায়? চাকরিক্ষেত্রে কীই-বা এর প্রয়োজনীয়তা?