সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক পথই সমাধান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি সংকটজনক মুহূর্ত তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি সংকটজনক মুহূর্ত তৈরি করেছে।
টেক্সাসের একটি পানশালায় এক বন্দুকধারীর হামলায় ২ জন।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে মনে করেন বিশ্বনেতারা।
ইরান গতকাল সে দেশে হামলায় হতাহতের সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করেনি। আর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গতকাল ইসরায়েলে ৯ জন নিহত ও ৫১ জন আহত হয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ১৩৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ২০৯টি ড্রোন ছোড়া হয়েছে। তবে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এর অধিকাংশ হামলাই মাঝআকাশে ঠেকিয়ে দিয়েছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে সমুদ্রপথের প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও এলএনজি পরিবাহিত হয়।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী তীব্র বিক্ষোভ চলছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে খেলাফত মজলিস।
সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ড ইরানের জন্য একটি বিরাট ধাক্কা। তবে এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটবে না বা তাতে সংঘাত কমবে না।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গতকাল শনিবার সকালে ইরানে হামলা শুরু করে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।