ঈদের দিন কেমন থাকবে চট্টগ্রামের আবহাওয়া
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সকালেও থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।’
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সকালেও থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।’
ঈদের ছুটিতে বিদ্যুতের চাহিদা কমলেও ঝড়বৃষ্টির কারণে গ্রাম এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হতে পারে।
মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আজ প্রথম আলোকে বলেন, বৃষ্টির কারণ গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার বিস্তার। এটা স্থানিক মেঘ। একটি নির্দিষ্ট স্থানে কিছু সময়ের জন্য বৃষ্টি ঘটায় এই মেঘ।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। এখনো মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের ঢল থামেনি। রাতভর যানজটে নাকাল হওয়ার পর গাজীপুরে ঢাকা–টাঙ্গাইল ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে সকালে কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে। তবে আজ বুধবার সকাল থেকে তুমুল বৃষ্টি যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।
ঈদুল আজহার ছুটিতে ঘরমুখী মানুষের চাপে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট ও ধীরগতি। বিশেষ করে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
রাজধানীর জুরাইনের ঋষিপাড়া এলাকায় আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে চট্টগ্রাম নগরের জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় এবার বাড়তি সতর্কতা নিয়ে সাজানো হয়েছে ঈদ জামাতের আয়োজন। বৃষ্টি হলেও যাতে মুসল্লিদের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে জন্য শামিয়ানার ওপর ত্রিপল বিছানো হয়েছে।
আগামীকাল ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বেশ কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চল থেকে বাড়ির পথে ছুটছেন হাজারো পোশাকশ্রমিক। ঝোড়ো বৃষ্টি, কাদামাটি, যানজট ও বাড়তি ভাড়ার ভোগান্তি পেরিয়েও পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার আনন্দে মুখর ঘরমুখী মানুষ।
ঈদুল আজহার দুদিন আগে মানুষ যখন ঢাকা ছেড়ে নিজেদের ঘরে ফিরছিলেন, তখন মহাসড়কে যানজটের পাশাপাশি তুমুল বৃষ্টি তাঁদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ঝড়বৃষ্টির সময় ঘরের টিনের চালের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে মো. ফয়েজ (১১) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
ঘন ঘন লোডশেডিং, ডিজেলসংকট, বৃষ্টিসহ নানা কারণে চলতি মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় লবণ উৎপাদন কমেছে। একই সংকটের কারণে বেড়েছে উৎপাদন খরচ। চাষিদের দাবি, খরচের বাড়লেও লবণের দাম সেভাবে বাড়েনি। ফলে লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের।