স্মৃতিগদ্য বোধোদয়
রাজার দুর্দশার কথা শুনে বললেন, ওই শালাকে ধইরা আনেন এখন। ওর সারকামসেশন করে দেব আমি। ব্যাটা কিছুই জানে না, ডাক্তারি করে। কুকুরটারে মাইরা ফালাইছে, ওর তো টিউমার হইছে।
রাজার দুর্দশার কথা শুনে বললেন, ওই শালাকে ধইরা আনেন এখন। ওর সারকামসেশন করে দেব আমি। ব্যাটা কিছুই জানে না, ডাক্তারি করে। কুকুরটারে মাইরা ফালাইছে, ওর তো টিউমার হইছে।
গলায় এক ফোঁটা পানিও পড়েনি। তেষ্টায় গলা ফেটে যাচ্ছিল। শীতের মধ্যে পাতলা কাপড়েই রাত কেটে গেল।
অনেক মানুষ যখন পুলে ৯/১১ এ হারিয়ে যাওয়া মানুষের নামের সামনে দাঁড়িয়ে, সেই মানুষগুলোর কথা ভাবছেন, তখন আরও অনেক মানুষ স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। জায়গাটায় অনেকগুলো গাছ সারি সারি লাগানো আছে।
প্রবাসের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি-সাহিত্যকে যত্নের সঙ্গেই লালন-পালন করতে হবে। বাংলাকে ব্যাপকভাবে প্রচার ও তার প্রসার ঘটাতে প্রবাসী সব বাঙালিকে নিতে হবে গুরুদায়িত্ব। তাদেরই ভেবে বের করতে হবে যথাসম্ভব নতুন উপায়।
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ উপস্থাপক, সম্পাদক, সংগঠক হিসেবে যতটা পরিচিত, গল্পকার হিসেবে ততটা পরিচিত নন। তাঁর চারটি গল্প পড়ে খুব বিস্মিত হয়েছিলাম। বইয়ের ভূমিকায় লেখক বলেছেন, এই ৪টি গল্প ৩০ বছরজুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে লেখা। এমন গল্প যিনি লেখেন, তিনি কেন আরও নিয়মিত গল্প লেখেননি?
মায়া বলল, ‘স্যার,আমি একটা গল্প শোনাতে চাই আপনাকে। এটা আমার জীবনের গল্প নয়, কিন্তু আমার অভিজ্ঞতার ভেতর থেকেই জন্মেছে।’
কমডেমড সেল থেকে ফিরে আসা মানুষেরা তাঁদের জীবনের দুর্বিষহ দিনগুলোর মর্মস্পর্শী গল্প শোনালেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আংশিক বেকারত্ব থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব পর্যন্ত—অর্থনীতিবিদ তাহরিন তাহরীমা চৌধুরীর গবেষণা দেশ-বিদেশে আলোচিত। এফএওতে কাজ করছেন তিনি। ছোটবেলা থেকে উচ্চ গবেষণা পর্যন্ত তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।
মিরপুরের একটি আউটলেট থেকে শুরু করে এখন ঢাকায় ১২টি এবং বিভিন্ন জেলায় মোট ২২টি আউটলেটে বিস্তৃত পিৎজাবার্গ। প্রতিদিন চার হাজারের বেশি পিৎজা বিক্রি হয় এখানে। তরুণ উদ্যোক্তা মীর মেহেদীর সংগ্রাম এবং সাফল্যের গল্প।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের নিয়মিত আয়োজন ‘অদ্বিতীয়ার গল্প’ অনুষ্ঠানের এ পর্বের অতিথি ছিলেন বিউটি সরকার। তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর স্বপ্ন উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষক বা গবেষক হওয়ার
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি নিয়মিত আয়োজন হলো ‘অদ্বিতীয়ার গল্প’। এ আয়োজনে আইডিএলসি-মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের ‘অদ্বিতীয়া’ শিক্ষাবৃত্তি পাওয়া একজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অনলাইন
সাধারণত এসব গল্পের কথক হয়ে থাকেন নারী, অর্থাৎ মা-খালা-ফুফু ও দাদি-নানি। মজার ব্যাপার হলো, আমার ক্ষেত্রে গল্প শোনানো মানুষটি ছিলেন আমার বাবা।