ইরান নিয়ে ট্রাম্পের হিসাবে কি ভুল হলো
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের হিসাবে কি ভুল হলো
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের হিসাবে কি ভুল হলো
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
ট্রাম্প কখনো সমঝোতার কথা বলছেন, আবার কখনো ইরানকে ধ্বংস করার কথা বলছেন। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে না, যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী চাইছে।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে আসছে ইরান।
ইরান যুদ্ধ থেকে ট্রাম্পকে দ্রুত সরে আসার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁর উপদেষ্টারা।
টিকতে চায় ইরান, বাড়বে তেল সংকট
‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে নিজের দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
জ্বালানিসংকটের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে পিছু হটতে বাধ্য করাই এখন তেহরানের প্রধান চাল।
১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল
ট্রাম্পকে ইরান সংকট সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছেন পুতিন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।
দলের আমিরের উপদেষ্টাকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের চিঠি দেওয়া নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে এর একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তাতে বলা হয়েছে, উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান জামায়াত আমিরের নির্দেশনার বাইরে গিয়ে চিঠিতে মন্ত্রীর পদমর্যাদা-সংক্রান্ত অংশটি যুক্ত করেছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার পর মাহমুদুল হাসানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আতঙ্কিত নন তেহরানবাসী। তাঁরা এই যুদ্ধকে জীবনের যুদ্ধ মনে করছেন। অন্যায় এই হামলার সমুচিত জবাব দিতে চান তাঁরা।