আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে তাহলে কি নৃশংসতাকে উসকে দিচ্ছেন মার্কিন
হেগসেথ প্রকাশ্যেই আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন।
হেগসেথ প্রকাশ্যেই আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন।
সম্প্রতি সৌদি আরবের একটি ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এ দ্বীপ থেকে হয়।
মূলত ইসরায়েলের প্রতি অপরিসীম আনুগত্যের জায়গা থেকে হেগসেথ প্রায়ই ইরানের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে থাকেন।
তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা কম।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট সুসংগঠিত।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন।
১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল
ওয়াশিংটন যখন ইরানের বিরুদ্ধে লড়তে শত শত কোটি ডলার ঢালছে, তখন বেইজিং নিঃশব্দে এমন একটি নথি প্রকাশ করেছে, যা আগামী কয়েক দশকের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।
ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়
আজ মঙ্গলবার ভোরে সংঘটিত এ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।