
ট্রাম্পের ইরান আক্রমণে কেন বাধা দিচ্ছে সৌদি আরব
কয়েক বছর আগে অনেক আরব দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হয়তো ইরানে হামলা চালিয়ে সেখানকার শাসন পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইতিবাচকভাবে দেখত।

কয়েক বছর আগে অনেক আরব দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হয়তো ইরানে হামলা চালিয়ে সেখানকার শাসন পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইতিবাচকভাবে দেখত।

ইরানের ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো, এর অভ্যন্তরীণ কঠোর সংহতি।

ইরানে হামলা চালানো থেকে ট্রাম্পকে বিরত রাখার প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরি নেই।

গত জুনে ইরান, ডিসেম্বরে নাইজেরিয়া এবং জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের হামলা গ্রিনল্যান্ড দখলের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

ওয়াশিংটন ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে বারবার হুমকি দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

ওয়াশিংটনকে ইরানের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে তেহরান আঞ্চলিক মিত্রদের অনুরোধ করেছে।

সূত্র বলছে, ইরানে রাস্তায় চলা বিক্ষোভ ও বিদেশি চাপ সত্ত্বেও দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে কোনো বিশ্বাসঘাতকতার মনোভাব দেখা যায়নি।

গত কয়েক দিনে ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিক্ষোভ দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ট্রাম্প কথা দিয়েছিলেন, ইরানি বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালালে তিনি ইরানে ‘গুলি চালাবেন’। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরিস্থিতি এত দ্রুত পাল্টাচ্ছে।

ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান