ট্রাম্প ইরানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, কট্টরপন্থী রিপাবলিকানরা কেন এমনটা ভাবছেন
ট্রাম্প যখন এই অজনপ্রিয় ইরান যুদ্ধ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, চুক্তি করতে যাচ্ছেন, তখন মনে হচ্ছে তিনি উল্টো তাঁর অন্যপক্ষের সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করতে যাচ্ছেন।
ট্রাম্প যখন এই অজনপ্রিয় ইরান যুদ্ধ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, চুক্তি করতে যাচ্ছেন, তখন মনে হচ্ছে তিনি উল্টো তাঁর অন্যপক্ষের সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করতে যাচ্ছেন।
সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব যে রাজনৈতিক বিজয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এ যুগে যুদ্ধ হয়ে উঠেছে আরও জটিল।
ইরান ভূমি এবং জাহাজ লক্ষ্য করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে সক্ষম।
ইরান উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
গত মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাটকীয় হুমকির পর ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহ সময় নেয়। ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাকের মতো ব্যর্থতার ছায়ায় হরমুজ প্রণালির কৌশল ইরানকে শক্তিশালী করেছে। ট্রাম্পের সামনে কোনো সহজ পথ নেই।
হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে হলে ইরানকে সেটি পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র টানা ছয় দিন ধরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। এর পেছনের কারণ বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ইরান হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা ও ফি বসানো নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা করছে বলে দাবি করেছে। এতে বিপাকে পড়েছে ওমান, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো ভিন্ন পরিকল্পনা দিয়েছে।
যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।
প্রতিটি নতুন দফা হামলায় সমঝোতার রাজনৈতিক মূল্য ক্রমেই বাড়ছে। ফলে শান্তির সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকেরা।
ইরানের সাইবার হামলায় ইসরায়েলি নাগরিকদের ফোনে স্পাইওয়্যার ঢোকানো হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময়। এআই-চালিত ডিপফেক ও হাজার হাজার আক্রমণ চলছে যুদ্ধের ছায়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সাইবার যুদ্ধের নতুন ভয়াবহ অধ্যায়।
যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন থেকেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতির বোঝা চাপিয়ে দিতে শুরু করে। তাদের এই কৌশলে চাপে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র।