পাহাড়ধসে তিন দিনে ২২ জনের প্রাণহানি
রেললাইনের ওপর পানি জমে থাকায় দুই দিন ধরে কক্সবাজারের সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ। টানা দ্বিতীয় দিন ডুবেছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা।
রেললাইনের ওপর পানি জমে থাকায় দুই দিন ধরে কক্সবাজারের সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ। টানা দ্বিতীয় দিন ডুবেছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে টানা বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। বর্ষণের কারণে উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় চলাচলের একটি সড়ক ভেঙে খাদে পড়েছে। ভাটিয়ারী ইউনিয়নের জঙ্গল ভাটিয়ারী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৫২টি পরিবারের মধ্যে ১২০টি পরিবারের ঘরে পানি ঢুকেছে।
টানা অতি ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমেছে। জলাবদ্ধতার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
রাজধানীর পানি ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিশু দিবাযত্নকেন্দ্রের গুরুত্ব তুলে ধরেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবাইদা রহমান।
গবেষণার পদ্ধতিটি ছিল বেশ রোমাঞ্চকর। পেশাদার গাছে চড়িয়েরা সূর্য ওঠার আগেই বিশাল গাছগুলোর ডালে চড়ে বসেন। তাঁরা সারা দিন ধরে বিভিন্ন উচ্চতা থেকে গাছের পাতা, ডাল ও কাণ্ড সংগ্রহ করেন। গবেষক দলের সদস্যরা গাছের পানি পরিবহনের ২৫টি বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করেন।
একসময় বৃষ্টির গতি কমে আসে। ভেজা শরীরে কাঠের ঘরের বারন্দায় গিয়ে দাঁড়াই। চারপাশের গাছ বেয়ে পানি ঝরছে। একটি কাঠবিড়ালি দৌড়ে গিয়ে আশ্রয় নিল টিনের চালের নিচে।
টানা বৃষ্টিতে উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের বাদাম ও সবজিখেত তলিয়ে গেছে। ক্ষতি কমাতে পানির নিচ থেকে আধা পাকা বাদাম তুলে এনে সড়কে শুকাচ্ছেন কৃষকেরা।
প্রতিদিন সকালে চোখ মেলে তাকানো, এক গ্লাস পানি গিলে ফেলার সামর্থ্য, পাশে থাকা প্রিয়জনের মুখ—এসবই আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ, যা আমরা প্রায়ই খেয়াল করি না।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভায় পুকুরে পানি সেচের মোটরের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা একটার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছয়ানী টবগা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বিশ্বকাপের প্রথম কয়েক ম্যাচে এই দৃশ্য একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে ধরা দিয়েছে। দুই অর্ধে দুবার ম্যাচ থামিয়ে দেওয়া হয় পানি খাওয়ার বিরতি। ফিফার আনুষ্ঠানিক ভাষায়, ‘হাইড্রেশন ব্রেক’।
উকিল মুন্সীর লেখা ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’, ‘অপরাধী হইলেও আমি তর’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘এসো হে কাঙালের বন্ধু’, ‘ভিখারি দুয়ারে’, ‘কুলমান যৌবন দিলাম বিসর্জন’-এর মতো বিখ্যাত গানগুলো শুধু ভাটি বাংলার সম্পদই নয়, এগুলো এখন সমগ্র বাংলার বিরহভাবের সম্পদ। উকিল মুন্সী ইমামতির পাশাপাশি গান করতেন, কখনো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে, কখনো বাদ্যযন্ত্র ছাড়া, তিনি মাঝেমধ্যে পালাগানের আসরেও যোগ দিতেন।